Friday, January 22, 2016

তিনটি ভিডিও যা দেখলে মিউজিক বুঝতে পারবেনই। জ্ঞানের জন্য হলেও দেখুন।

আজ একটা বিশেষ কারণবশত লিখতে বসলাম। ইনবক্সে অনেক প্রশ্ন। ভাই, স্কেল বুঝিনা। আর স্কেল না বুঝলে সঙ্গীত নিয়ে লাফালাফি করে লাভ নেই। আগেই ভেবে রেখেছিলাম যে এমন একটা ভিডিও বানাব যেটা দ্বারা সবাইকে বোঝানো সম্ভব হবে। যেহেতু ক্লাস নিলে সবার পক্ষে অংশগ্রহণ করা সম্ভব না তাই চেয়েছিলাম কোনো অ্যানিমেশনের মাধ্যমে যাতে সবাইকে বোঝাতে পারি। আপাতত কমপ্লিট করেই আপলোডটা করলাম।যারা আজ থেকেই মিউজিক কম্পোজিং শুরু করতে চাচ্ছেন বা অনেক আগে শুরু করেও কেউ স্কেল বিষয়টা ধরতে পারছেন না মূলত তাদের জন্যই এই ভিডিও।সবচেয়ে সহজভাবে উপস্থাপন করতে চেষ্টা করেছি। মিউজিকের কাজ না করলেও সাধারণ জ্ঞানের জন্য হলেও এই ভিডিও সবাই দেখবেন আশাকরি।
প্রথম ভিডিওতে মিউজিকের সবচেয়ে বেসিক জিনিসগুলো পাবেন। মিউজিক কীভাবে আসলো। নোটের উৎপত্তি কীভাবে এলো এবং সাধারণ কিছু জ্ঞান। দ্বিতীয় ভিডিওতে পাবেন স্কেল সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য। কীভাবে স্কেল বের করবেন আর সে অনুসারে প্র্যাকটিস করবেন।
আর তৃতীয় ভিডিওতে পাবেন যে কীভাবে এই দুই জ্ঞান FL Studio তে প্রয়োগ করে কাজে লাগাবেন আর মিউজিক তৈরি করবেন।তৃতীয় ভিডিওটা অবশ্যই দেখবেন তা না হলে কিছুই ভালভাবে বুঝতে পারবেন না।

Video-1>> Basic of Music for the Beginners

Video-2>> SCALES in MUSIC for the Beginners

Video-3>> Basic of Music + Scales in Music (Practical Discussion) [Important]


আজকে আর বেশি কথা বলব না।আশা করছি এই তিন ভিডিও আপনার অনেক ভুল ভেঙে দেবে। অনেক নতুন তথ্য জানতে পারবেন। আর সবাই বুঝতেও পারবেন আশা করি। বাদবাকি আপনার চর্চার উপর নির্ভর করছে। আর একান্তই যদি না বুঝতে পারেন তাহলে ইনবক্সে বা গ্রুপে জানাবেন। উত্তর দিতে চেষ্টা করব। ধন্যবাদ সবাইকে শুভরাত্রি।
Me on Facebook>>
FL Studio Group>>
Youtube Channel>>
ভিডিও-১ ভিডিও-২ ভিডিও-৩

Wednesday, January 20, 2016

Make your VOICE to MALE/FEMALE in FL Studio



অনেকদিন পর টিউন করতে এলাম।
একবার ডুয়েট গান রেকর্ড করতে পারছিলাম না মেয়ের অভাবে। কারণ আমার বান্ধবীদেরও কেউ অত ভাল গায় না। অনেক ভেবেচিন্তে নিজেই নিচের ডুয়েট গানটা কমপ্লিট করে ফেললাম।
 আজ দেখাব কীভাবে একটি ভয়েসকে মেয়ে বা ছেলের ভয়েসে পরিবর্তন করে নিজে নিজেই ডুয়েট গান তৈরি করতে পারেন। এর জন্য একটি প্ল্যাগিন দরকার। এর নাম RoVee. তো কাজ শুরু করার আগে সফটওয়্যারটি ডাউনলোড করে নিন নিচের লিংক থেকে।
এরপর যা করতে হবে তা আমি ইউটিউবে ভিডিও’র মাধ্যমে দেখিয়ে দিচ্ছি। 


খুব সংক্ষেপে শেষ করলাম। ধন্যবাদ সবাইকে। সামনে পরীক্ষা। দোয়া করবেন।

Monday, February 9, 2015

FL Studio Tutorial: Delay Tutorial



বেশকিছু দিন পর আবারও স্বাগতম FL Studioর ডিলে (Delay) টিউটোরিয়ালে। তার আগে বলে নেয়া দরকার যে ডিলে (Delay) কী?
আপনারা জানেন যে Delay মানে বিলম্ব বা দেরী। হ্যাঁ। ঠিক তাই। অনেক গানে দেখা যায় যে শিল্পী যে লাইন গাইছে, শেষ করা মাত্র ঐ লাইনই আবার গাওয়া হচ্ছে। অনেক ক্ষেত্রে লাইন শেষ না করেই আবার গাওয়া হয়। এটা একসাথেও হতে পারে আবার নিজে নিজেই হতে পারে। তো আপনি তো হোম মিউজিসিয়ান। এত লোক তো আপনার নেই। তাই ডিলে-এর কাজটা আপনার নিজেকেই করতে হবে। প্রায় সব গানের কিছু কিছু অংশে ডিলে করে। যেমন:  শ্রাবণের মেঘগুলো.........(আজ কেন মন এই জায়গায়)
এরকম আরো প্রচুর গান পাবেন। এখনও যদি ডিলে না বুঝে থাকেন তাহলে আমার সদ্য রেকর্ড করা গানটি শুনে আসুন তাহলে বুঝবেন। আমার খুব প্রিয় একটা গান। যখন মন খারাপ থাকে তখন ১৭ বার শুনলেই মনটা ভাল হয়ে যায়। কখনও বিরক্তি আসে না।
soundcloud.com/mehedee/ValoLageNa (PC User)
এবার আসুন ডিলে করা হয় কেন তা জানি।
আসলে গানের সৌন্দর্য বৃদ্ধির জন্য ডিলে করা হয়। আর তা পুরো গানের ক্ষেত্রে নয়। গানের কিছু কিছু অংশে। ডিলে করার জন্য আপনি আলাদা কোনো VST ব্যবহার করতে পারেন। তবে FL Studio-তে যে Fruity Delay 2 আছে তা দিয়েই আপনি সুন্দর করে ডিলে করতে পারেন। এরজন্য আপনাকে:
১। প্রথমেই Mixer চালু করতে হবে।
২। এরপর Fruity Delay 2 টা সেখানে  আনবেন।
৩। গানের ধরন অনুযায়ী Time সেট করবেন।
৪। এরপর মাউসের সাহায্যে যে জায়গাগুলোতে ডিলে করতে চান সেই জায়গাগুলো ঠিক করে সেভ করবেন।
বিস্তারিত ভিডিও টিউটোরিয়ালে পাবেন।


আজ আর নয়। কদিনের মধ্যে দিনাজপুর যেতে হবে। ২২ তারিখ থেকে ভার্সিটি লাইফ শুরু। দোয়া করবেন সবাই। আর এ অবস্থায় পারলে আমাকে যেকোনভাবে হোক দিনাজপুরে পৌঁছে দিন। অনেক খুশি হব। যাকগে। দোয়া করবেন যেন ঠিকঠাক দিনাজপুর পৌঁছাতে পারি।
টিউনটা খুব ছোট হয়ে গেল। ধন্যবাদ সবাইকে।

Saturday, January 17, 2015

FL Studio Tutorial : Placing Chord of Popular Songs

http://donottellalie.blogspot.com/2014/11/fl-studio-bangla-tutorial-tutorial-basic.html
টিউনটা শুরু করার আগে কিছু কথা বলে নিই।
আপনাদের অনেকেই দেখেছি আমার টিউটোরিয়ালগুলো ভালভাবে না পড়েই শুধুমাত্র ফেইসবুক লিংক পেয়েই ম্যাসেজ দেন যে ভাই এটা কীভাবে করবো, ওটা কীভাবে করবো। এটা ঠিক না। বেশ কিছুজনকে আমার আবার পোস্টের লিংকগুলো দিতে হয়েছে। এতে এক ধরনের বিরক্তিভাব আমারও আসে। তাই আপনাদের কাছে বিশেষ অনুরোধ যে আগে ভালভাবে পোস্টগুলো পড়বেন। তারপর না বুঝলে প্রশ্ন করবেন। আমি অবশ্যই আপনার প্রশ্নের জবাব দিতে চেষ্টা করবো।

আবার খুব কমন একটা প্রশ্ন শুনি যে মিউজিক শিখতে আমার কতদিন লাগবে।
ডাঃ লুৎফর রহমানের দুইটা লাইন তুলে ধরছি-
‘‘বাদককে এক যুবক জিজ্ঞেস করেছিল- বাজনা শিখতে আমার কতদিন লাগবে? তিনি বলেছিলেন- 
 প্রত্যহ ১২ ঘন্টা করে যদি পরিশ্রম কর, তাহলে বিশ বছর লাগবে।

এক পন্ডিত বললেন- যে ব্যক্তি ধীরভাবে অপেক্ষা করে, সে-ই সফল হতে পারে। বস্তুত কত কাল অপেক্ষা করতে হবে, তা কে জানে? আশায় বুক বেঁধে খোদাকে ভরসা করে কাজ করতে থাক, তুমি সফল হবে। সাধনাকে আনন্দ দিয়ে পূর্ণ করে তোল। কবে তুমি কৃতকার্য হবে, সে কথা ভেবো না- তাহলে সাধনায় ক্লান্তি আসবে। ব্যর্থতা তোমাকে ভেঙে ভেঙ্গে দেবে। আনন্দ ভরা সাধনা, নিয়ত ফল সম্বন্ধে উদাসীন তোমার মন, ধীরে ধীরে অজ্ঞাতসারে তোমার গন্তব্যস্থানে নিয়ে যাবে। শুভ প্রভাতে দেখতে পাবে, তোমার মাথা বিজয় মুকুট শোভিত হয়েছে। তুমি নিজেই জয়ে বিস্মিত হবে। আশাশূণ্য ও নিরানন্দ মনে কোন কাজ করো না।’’

তাই, হতাশ হবেন না। কাজ চালিয়ে যেতে থাকুন।
এবার তাহলে শুরু করা যাক। ধরুন আপনি একটা গানের কর্ড পেয়েছেন। সেটা FL Studio-তে বসিয়ে গানটা কম্পোজ করবেন কীভাবে? কীভাবে? আরে ভাই আমিও তো সেটাই বলছি।
আচ্ছা যাইহোক, আজ আপনাদের সেটাই দেখাবো।

  • গানটা  সিলেক্ট করার পরই চিন্তা করবেন যে গানটা কোন তালের হবে। গানের তাল মনে রাখার পদ্ধতি কিন্তু তালের টিউটোরিয়ালে শিখিয়ে দিয়েছি। ধরা যাক, গানটি হলো উপমহাদেশের সবচেয়ে বেশিবার শোনা আর সবচেয়ে বেশি পরিচিত গানটা। কোনটা বলুন তো? হ্যাঁ। মান্না দের বিখ্যাত কফি হাউজের সেই আড্ডাটা আজ আর নেই এই গানটা। তো এটা কোন তালের সাথে মিলবে বলুন তো? তালের টিউটোরিয়ালটি পড়ে থাকলে অবশ্যই একবাক্যে পারার কথা। এটা নিঃসন্দেহে কাহারবা তালের সাথে মিলবে। তাই আমরা প্রথমে এই তালটি সেট করার জন্য একটা ড্রাম নেবো।
  •  FLStudio চালু করুন। Plugin Picker থেকে FPC টেনে নিয়ে আসুন। এখন বরাবরের মতোই এর উপরের ডানপাশে ক্লিক করে Fpc Ambient Groove01 সিলেক্ট করুন বা এ জাতীয় অন্যটিও সিলেক্ট করতে পারেন। 



  • TEMPO প্র্যাকটিসের সুবিধার্থে 115 তেই রাখুন যদিও গানটার গতি আর একটু বেশি। ড্রামটা বাজান তো। মিউজিক ছাড়াই দুই এক লাইন গান। কফি হাউজের সেই আড্ডাটা আজ আর নেই….আজ আর নেই। (ভালোই লাগছিল। গান না!) বুঝতে পারছেন তো ড্রামের কোন্‌ জায়গায় কোন্‌ শব্দটাতে জোর পড়বে? তাল মিলেছে তো?
  • আবার ভাবছেন যে এইটুকুতে তো মাত্র কফি হাউজের সেই... এই পর্যন্ত গাওয়া যাবে। বাকীটুকুর জন্য কী আলাদা প্যাটার্ন নেব? না। আজ একটু সহজভাবেই শেখাবো।FPC এর  Piano Roll চালু করুন বাজালে বুঝতে পারবেন যে আসলে ড্রামের কোন্‌ জায়গায় কোন্‌ সাউন্ড টা হচ্ছে। দেখবেন 1 থেকে 2 পর্যন্ত জায়গাতে অনেকগুলো Closed Hat, Snare, Kick Drum ইত্যাদির নোট বসানো আছে। এগুলো বিভিন্ন জায়গায় বসিয়ে আপনিও আপনার পছন্দমতো ড্রামের মিউজিক তৈরি করতে পারেন। 

  • তো যা বলছিলাম যে আমরা এখানেই দৈর্ঘ্য বাড়াবো। আচ্ছা, পুরো লাইনটা মানে কফি হাউজের........আজ আর নেই, আজ আর নেই এই পর্যন্ত বাজাতে আমাদের কয়টা প্যাটার্ন লাগতো চিন্তা করুন তো। ড্রামটা বাজিয়েই চিন্তা করুন। হুমম। ৪ টা প্যাটার্ণ লাগতো। তাহলে আমরা এখানেই ড্রামের চারটা কার্বন কপি তৈরি করি।
  •  Piano Roll এর উপরে দেখবেন চারকোনাকৃতির একটা Select বাটন পাবেন। সমস্যা হলে মাউস নিয়ে সবগুলো অপশনের উপর ধরুন। FILE, EDIT, CHANNELS…..এগুলোর নিচের বক্সে প্রত্যেকের নাম শো করবে। তো Select বাটন টা তে ক্লিক করুন। এরপর মাউস দিয়ে অনেকগুলো ফোল্ডার বা ফাইল যেভাবে  সিলেক্ট করে সিলেক্ট করে সেইরকম করে সবগুলো ড্রামের নোটগুলো সিলেক্ট করুন। দেখবেন রাগে লাল হয়ে যাবে।
 
  • এই অবস্থায় উপরের কালো বারের উপরে একটি স্ক্রলবার পাবেন। ওখানে মাউস দিয়ে ক্লিক করে 3 সংখ্যাটা সবার বামে নিয়ে Abc এর একদম নিকটে রাখুন। 


  • কি-বোর্ডে Ctrl+V চাপুন দেখবেন নোটগুলো এপাশেও কপি হয়েছে। খুব খুশি নাকি? ভাবছেন আরো দুইবার এভাবে কপি করবেন? করতে পারেন। তবে এখানে একটা বুদ্ধি শিখে দিই। যারা বুদ্ধিটা শিখতে না চান, তাদের নিচের রঙীন লেখাগুলো পড়ার দরকার নেই। 
  • লক্ষ রাখবেন, যে কোনো একটা নোট 1,2,3 লেখা কালো দাগের সাথে পুরোপুরি মিলে গেছে কিনা। যায় নি। তাই না। তাহলে আমরা এক কাজ করব। যেকোন একটা নোট একদম লাইনের কালো দাগের সাথে ঠেকিয়ে দেবো। সুবিধা কী হবে পরে বলছি। 
  • ধরা যাক, যেগুলোতে ড্রামের শব্দ হবে না অর্থাৎ G#2, A2, A#2, B2, D#3, F3 অর্থাৎ মরা জায়গাগুলো বরাবর ডানে আমরা 3 এর কালো দাগ ঘেষে আমরা একটা নোট নিলাম। মাউসটা কালো বারের উপর রেখে মাউসের চাকা ঘুরিয়ে সম্পূর্ণ জ্যুম করে দেখুন সত্যিই 3 দাগের সাথে মিলেছে কিনা। মিলানোর চেষ্টা করুন। যদি না পারেন SNAP থেকে none সিলেক্ট করুন। এবার খুব সহজেই পারবেন। আশাকরি ব্যাপারটা বুঝেছেন।
 
কেনো কাজটি করালাম বলুন তো? এবার কোনোকিছু সিলেক্ট না করেই Ctrl+B চাপুন। দেখুন যতদুর নোট এসেছিল ঠিক তার দ্বিগুণ হয়ে গেল! এটা অনেক কাজে দেয়। 

একটা সার্বিক স্ক্রীনশট দিলাম।

 
 যাকগে আমাদের ড্রামের মিউজিক তৈরির পালা শেষ এবার কর্ডগুলো বসাব।

অনেকেই তাল অনুযায়ী হয়তো কর্ডের জায়গাগুলো এরইমধ্যে ঠিক করে ফেলেছেন। হুমম, এবার কর্ড বসানোর পালা। তার আগে কিছু কথা। অনেকেই বলে থাকেন মেজর কর্ড কী, মাইনর কর্ড কী। দেখুন এগুলো বোঝাতে গেলে শুধু শব্দই বাড়বে, কাজের কাজ কিছুই হবেনা। আর স্কেল অনুসারে কিছু কর্ডের নামকরণ করা হয়েছে। তাছাড়া সব কর্ডই শুধু নামেই কর্ড। কর্ডগুলোকে নোট বাছাইয়ের ভিত্তিতে নামকরণ করা হয়। আর এই নামকরণের একটাই উদ্দেশ্য যে খুব সহজেই যেন ব্যবহার করা যায়। আর আলোচনার মধ্যে মেজর কর্ড নিয়েই কিছু আলোচনা হয়, মাইনর বা আর সব কর্ড নিয়ে তেমন কেউ আলোচনা করেন না। কারণ, এগুলোর আসল কাজ হলো এর ব্যবহার। তাই আপনার যদি একান্তই মেজর কর্ড, মাইনর কর্ড সম্পর্কে জানার ইচ্ছা হয় তাহলে FL Studio তে সব কর্ডগুলো বসিয়ে গবেষণা করতে পারেন। আমার কোনোই আপত্তি নেই। কেননা আমরা এর ব্যবহার শিখব। আর ব্যবহার সহজতম উপায় FL Studio-তেই তৈরি করা আছে।

মাঝে মাঝে ভাবতে খুব অবাক লাগে। একজন সফটওয়্যার ডেভেলপার শুধু একজন প্রোগ্রামারই নন, একজন ভালো মিউজিশিয়ানও। নইলে FL Studio সফটওয়্যারটা তৈরি করতে পারে! যদিও একটা বড় প্রতিষ্ঠানের সবাই মিলে এ ধরনের সফটওয়্যার তৈরি করে থাকে। তারপরও বিষয়টা তো একজনের মাথা থেকেই বেড়িয়েছি তাইনা। 

যাইহোক এবার আমরা কর্ড বসাবো। এজন্য আমরা যেকোন একটা গিটার বা পিয়ানো ব্যবহার করবো।
  •  তাহলে প্রথমে Plugin Picker থেকে FL Keys নিয়ে আসুন। আমরা FL Keys এর Piano Roll-য়েই কর্ডগুলো বসাব।
  • ও হ্যাঁ ভালো কথা কর্ডগুলো কোথায় পাবেন? Google এ গানের নামের শেষে Chord লিখে একটামাত্র সার্চ দিলে যেকোন গানেরই কর্ড পাবেন। এই দেখুন আমি "কফি হাউজের" এই গানটার কর্ড নামিয়েছি। 





কর্ডগুলো ঠিক কোন্‌ জায়গায় বসবে তা তালের সাথে দুই একবার মেলালেই বুঝতে পারবেন। আপনাদের সুবিধার্থে আমি চিহ্ন করে দিয়েছি। দেখুন, F#m হবে 'nei' এর সময়। সাইটের দুর্বলতার কারণে ওটা একটু ডানে চলে গেছে। এসব ক্ষেত্রে ফটো দিলে সবচেয়ে ভালো হয়। কারণ একটু এদিক সেদিক মনে করে বসালেই শেষ!
যাইহোক আগের মতো এবারও আমি আপনাদের দেখাবো কিভাবে কর্ড গুলো বসাবেন।
এরকম কর্ডের ক্ষেত্রে-
E = E Major
A = A Major
C#m = C# Minor
B = B Major
এছাড়াও মেজর সিক্স, সেভেন, সাসপেন্ডেড, সাসপেন্ডেড 2-4 সহ আরো নানা বহুরুপী কর্ড পাবেন। এগুলো FL Studio তে বসাতে কোনোরকম বেগই পেতে হয় না। 
  • FL Keys এর Piano Roll চালু করুন। 
  • বামপাশের উপরে Piano roll options -এর ড্রপডাউন থেকে Chord-এ যান।
বুঝতে সমস্যা হলে আগের এই টিউটোরিয়ালটি দেখতে পারেন।
 
  • এখান থেকে যে কর্ডটা বসাবেন তা সিলেক্ট করুন। যেমন: E Major এর সময় Mojor সিলেক্ট করুন। আর Piano Roll এ গিয়ে শুধুমাত্র E তে ক্লিক করুন। দেখবেন। কর্ডের তিনটি জায়গা-ই নোট পড়েছে। এবার সুবিধামতো টেনে-হিঁচড়ে জায়গায় বসান। আপনাদের সুবিধার্থে আমি নিচে ফটো আকারে দেখিয়ে দিচ্ছি।
কফি হাউজের সেই আড্ডাটা আজ আর নেই, আজ আর নেই: 



 কোথায় হারিয়ে গেল সোনালি বিকেলগুলো সেই, আজ আর নেই:


 আর আপনাদের সুবিধার্থে পুরো কাজটির প্রজেক্ট ফাইলটা দিলাম। যাদের সাপোর্ট করবে তো ভালো। না করলে আপনাদেরই একটু কষ্ট করে তৈরি করতে হবে। ভিডিও টিউটোরিয়াল দিতে পারলাম না বলে দুঃখিত। একটু ঠান্ডা লেগেছে তো।
Download ↓↓↓

আর একটা কথা। অনেকেই দেখি ম্যাসেজ দেয় যে ভাই গান থেকে ভোকাল/ভয়েস রিমুভ করে কিভাবে। দেখুন ভাই ঐটা করলে আমার এতো কিছু করতে হতো না। আমার কাছ থেকে যদি একান্তই শিখতে চান নিয়মমাফিক শিখতে হবে। কারণ, একটা মিউজিক নিজে কম্পোজ করার মধ্যে যে আনন্দ তা যে কম্পোজ করে সেই বুঝতে পারে। সেদিন এক ভাই তার তৈরিকৃত একটা মিউজিক দেখাল। বললো যে সে এভাবে চেষ্টা করছে। চিন্তা করুন, সে কত খুশি হয়ে সবার সাথে জিনিসটা শেয়ার করেছে! আবার অনেকে SMS এর রিংটোন বানাচ্ছে। এই জিনিসগুলো আমার এতো ভালো লেগেছে। আপনি পারুন বা না পারুন। যা পারুন তাই করুন। যেটা মনে হয় সেটাই বানান, হতে পারে SMS টোন, হতে পারে রিংটোন, হতে পারে ভয়ঙ্কর শব্দ, হতে পারে ভৌতিক আওয়াজ, airtel এর রিংটোনটাই চেষ্টা করুন না! যদি আপনার চেষ্টা থাকে কিছুই আপনাকে দমাতে পারবে না।

আর DJ/Remix এই গানগুলো নিয়ে আমার বেশ আপত্তি আছে। আমি ব্যক্তিগতভাবে খুব ভালোভাবেই এই গানগুলো ঘৃণা করি, কারণ, এই গানগুলো মূলগানগুলোর স্বকীয়তা নষ্ট করে। আবার এমনও কিছু বেআক্কেল কোয়ালিটির DJ শুনেছি যে গানটির DJ/Remix প্রয়োজন ছিলনা বা করা যেত না। সে জোর করেই করেছে। গানটার কোয়ালিটিই মাটি! না জানি গানটির উপরে কত ধকল গেছে! একটু বেসুরো মিউজিক দিলে ওটাও নাকি  DJ-এর স্টাইল। সঙ্গীতের কিছু Rules আছে। নিয়ম আছে, নিয়মের ব্যবহার আছে। আর DJ দেখুন, সঙ্গীত সম্পর্কে অজ্ঞ ব্যক্তিরা পর্যন্ত DJ গান তৈরি করে। তাহলে এটা সঙ্গীতের কোনো পর্যায়ে পড়লো? একটা মানসম্মত সঙ্গীতকে এভাবে ধর্ষণ করবেন না।
তাই অনুরোধ DJ/Remix নিয়ে কেউ আমাকে কোনো প্রকার প্রশ্ন করবেন না। আমার কথায় খারাপ লেগে থাকলে কিছুই করার নেই। DJ-এর মূল কাজ হলো বিভিন্ন পার্টি আর বারে। যেখানে অনেকেই সঙ্গী সহকারে নাচবে, ফূর্তি করবে, আরো অনেক কিছুই করবে যা আপনাদের কারোই অজানা নয়। মূল সঙ্গীতের নিয়মের ভিতরে এটাকে কখনোই আনা যাবে না। তাই যদি শিখতেই চান মূল ধারার সংস্কৃতিতে আসুন। না হলে আজকেই আমাকে আনফ্রেন্ড বা আমার গ্রুপ থেকে লিভ করতে পারেন।

আজকের মতো এ পর্যন্তই। ভালো থাকবেন সবাই।